মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে…more

  

 

 


একজন মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও তার ম.'রদেহের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। কিন্তু নড়াইলের লোহাগড়ায় ঘটে যাওয়া একটি অভিযোগ সেই মা.'নবিকতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।



লোহাগড়া উপজেলার ছাগলছেঁড়া গ্রামে ১৭ বছর বয়সী গৃহবধূ সাদিয়া আক্তার লামিয়ার ম.'রদেহ উদ্ধারের পর থানায় নেওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছিল। রাতে থানায় নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ম.'রদেহটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই ছিল।




পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে এ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ গাড়ির ভেতরে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ম.'রদেহের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে সাদিয়ার মা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে পরিবারের দাবি।




পরিবারের আরও অভিযোগ, ওই সময় এ্যাম্বুলেন্সের জানালাগুলো গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত চালককে আটক করে গণপি.'টুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।




সাদিয়ার মায়ের অভিযোগ,


“আমার মেয়ের ম.'রদেহের সঙ্গেও এমন আচরণ মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”




সাদিয়া আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। কিন্তু তার ম.'রদেহের প্রতিও যদি শেষ সম্মানটুকু নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে আমাদের সমাজের মানবিকতা কোথায়?একবার চিন্তা করছেন।


 


আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

Comments

Popular posts from this blog

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর, জানা গেল তারা আপন...more

নারীর শরীরের ৮০%উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের পাঁ..See more

প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন..more.